আমি ঈশ্বরের খোঁজে কাটাই পন্থে, কাটাই দিবা রাতি,
উত্তর মেরুর তুষার পাতে, হয়তো ঈশ্বর হবেন বাতি!
আফ্রিকার ওই কালো বনে, আঁধার করে খেলা,
ঈশ্বর জানি আঁধার আজই, কালোর সবই মেলা!
আমি ভারতে এসে থমকে দাঁড়াই, তাজ্জব আমার চোখ,
ঈশ্বর খুঁজি, ঈশ্বর কেমন? ঈশ্বর সর্ব লোক!
যেমন দেখি পুরুষ ঈশ্বর, ঈশ্বর মহারথী,
জৈন, বিষ্ণু, রাম, মোহাম্মদ, মানুষেই সব গতি!
নারী জনে কয় শূন্য নয়, এ ধরাই ঈশ্বর নারী,
শ্যামের পঙখি রাধা বলে সব কালী আমার ধারি!
গাভী ঈশ্বর, ঈশ্বর বৃক্ষ, আবার ঈশ্বর হনুমান,
সে সব ভাবি তে ঈশ্বর না পাই, নাই কিছু অনুমান!
পন্থের ধারে বসি এক বেলা, চাহি শীতল পানে,
আমার ছায়া, লয় ক্ষুদ্র সে, ঈশ্বর ডাকে গানে!
এই না ভাবি আমাতে কেউ, গড়েছে নিবাস,
আমার রন্ধ্রে, প্রতি ক্ষোপে ঈশ্বরের বসবাস!
নিজেকে যবে ঈশ্বর দেখি, ঈশ্বরের নাই মন,
মৃতে ভাবে ঈশ্বর আজ, নাই কোন প্রয়োজন!
সকাল – সন্ধ্যে ঈশ্বর খুঁজে দু’চোখ এসেছে মুদে,
আমি নই ঈশ্বর, নয় তরুজনে, ঈশ্বর নয় ক্ষুদে!
স্বপনে দেখি মহাস্রষ্টা এসেছে আমার গাঁয়,
অনুভবে তার ছায়া সুশীতল, ঈশ্বর চরমে নাই!
ঈশ্বরের খোঁজে || নির্জল প্রবাল!


