পঞ্চগড় সহ উত্তরাঞ্চলের ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর, রংপুর, কুড়িগ্রাম ও নীলফামারী সহ বিভিন্ন জেলায় তুষার পাতের মতো ঘন ও ভারী শিলাবৃষ্টি হয়েছে। সকাল আনুমানিক ৯টা থেকে ১০টা ঘন্টাব্যাপী মুষলধারায় শিলা বৃষ্টি হয়। তবে ভোররাত থেকেই বজ্র সহ শিলা বৃষ্টি হচ্ছিল। পঞ্চগড়ে বৃষ্টির পরিমাণ ৩৭ মি.মি. রেকর্ড করেছে স্থানীয় কৃষি বিভাগ। এক ঘন্টার বৃষ্টিতে পঞ্চগড়ের কালো মাটি কয়েক ইঞ্চি পুরু বরফে ঢেকে গিয়েছিল।

এমন ভয়াবহ শিলা বৃষ্টি স্মরণকালে পঞ্চগড়ে কেউ দেখেনি। মাত্র ১ ঘন্টায় বিস্তীর্ণ এলাকায় ভুট্টা, তরমুজ, টমেটো, আম ও লিচুর মুকুল ধ্বংস হয়ে গেছে। এলাকায় কৃষকদের মধ্যে শোকের মাতম। লক্ষ লক্ষ টাকার ফসল নষ্ট হয়ে গেছে। অনেকেরই ঘরের টিনের চাল ফুটো হয়ে গেছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক শামছুল হক শিলাবৃষ্টিতে ফল ও ফসলের ক্ষতি হওয়ার বিষয়টি স্বীকার করলেও তাৎক্ষণিক ক্ষতির পরিমাণ জানানো সম্ভব হয় নি। মাঠে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা করছেন বলে জানিয়েছেন।
পঞ্চগড়ের প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি স্থানীয় প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণন করেন ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকগণ।

ঋণ নেয়া কৃষকেরা সুদ মওকুফের জন্য কৃষিমন্ত্রীর সুদৃষ্টি কামনা করেন।
এদিকে দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুরে শিলা পড়ে দুই জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।




