পঞ্চগড় জেলা সমিতি, ঢাকা’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল

0
791

রাজধানীর শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় মিলনায়তনে ঢাকায় অবস্থানরত পঞ্চগড় জেলার সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে নিয়ে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে দেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ের প্রায় এক থেকে দেড় হাজার মানুষ অংশ নেন। দলমত নির্বিশেষে সকলের অংশগ্রহণে ইফতার মাহফিল পরিণত হয় পঞ্চগড়বাসীর মিলনমেলায়।
সোমবার পঞ্চগড় জেলা সমিতি, ঢাকা’র আয়োজনে ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রেলপথমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ সাবেক স্পিকার ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক সংসদ সদস্য নাজমুল হক প্রধান। পঞ্চগড়-১ আসনের সাংসদ মজাহারুল হক প্রধান উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও ব্যক্তিগত কাজে পঞ্চগড়ে ছিলেন তিনি।


প্রধান অতিথির বক্তব্যে রেলপথমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন বলেন, সারাদেশেই পঞ্চগড়ের মানুষ সুনামের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। জেলা সমিতি পঞ্চগড়ের সকল মানুষের মধ্যে চমৎকার সেতুবন্ধন তৈরি করেছে। এখানে সকল দলমতের মানুষ এক মঞ্চে দেখে বেশ ভালো লাগছে। আমরা ভিন্ন ভিন্ন রাজনৈতিক দল করতে পারি। কিন্তু দিন শেষে আমরা পঞ্চগড়ের মানুষ- এই হোক আমাদের পরিচয়। এসময় পঞ্চগড়-রংপুর একটি লোকাল ট্রেন চালু করার কাজ চলছে বলে জানান তিনি। তিনি আরো বলেন, ঢাকা থেকে চিলাহাটি-হলদীবাড়ী হয়ে জলপাইগুড়ি পর্যন্ত ভারতের সঙ্গে যোগাযোগে ‘মিতালী এক্সপ্রেস’ ট্রেন শিঘ্রই  চালু হবে ।

ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার তাঁর সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে জনপ্রতিনিধিদের পঞ্চগড়ের মানুষ যারা ঢাকায় এলে যারা অসুবিধার সম্মুখীন হন বিশেষ করে ছাত্র-ছাত্রীদের থাকা খাওয়ার সুব্যবস্থা করার অনুরোধ জানান। পঞ্চগড়ের মানুষের উন্নয়নে পদক্ষেপ গ্রহণ করারও আহ্বান জানান তিনি।

পঞ্চগড় জেলা সমিতির সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান বলেন, আমাদের প্রথম পরিচয় আমরা পঞ্চগড়ের মানুষ। সবাইকে নিয়ে একসঙ্গে পঞ্চগড়ের উন্নয়নে আমরা কাজ করব। সেইসঙ্গে পঞ্চগড়ের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে ভাতৃত্বের সেতুবন্ধন তৈরিতে ও পঞ্চগড়ের স্বার্থে জেলা সমিতি কাজ করে যাবে। পঞ্চগড়ে মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল স্থাপন এবং চায়ের অকশন মার্কেট পঞ্চগড়ে করার জোর দাবী জানিয়েছেন অন্যান্য বক্তারা।

সভায় সভাপতিত্ব করেন পঞ্চগড় জেলা সমিতির সভাপতি মাহমুদুর রহমান ফারুকী। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ফরহাদ হোসেন আজাদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন, বিভিন্ন দলের রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গসহ সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং বিভিন্ন কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

Facebook Comments